দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং আধুনিকতার প্রতীক এই শহরগুলো। সিটি কর্পোরেশন ভুক্ত প্রধান নগরী সমূহের তালিকা নিচে দেওয়া হলো।
প্রাচীন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী অংশ। লালবাগ কেল্লা, আহসান মঞ্জিল এবং বুড়িগঙ্গা তীরের এই শহরটি প্রায় ৪০০ বছরের ইতিহাসের সাক্ষী। ঢাকার মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র এখানেই অবস্থিত।
রাজধানীর আধুনিক আবাসন ও কূটনৈতিক অঞ্চল। গুলশান, বনানী এবং উত্তরা নিয়ে গঠিত এই অংশটি শহরের নতুন পরিকল্পনার প্রতিফলন। এখানে দেশের বড় বড় করপোরেট অফিস অবস্থিত।
দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কেন্দ্রবিন্দু। পাহাড় ও বঙ্গোপসাগরের মধ্যবর্তী এই শহরটি তার মেজবানি মাংস এবং সামুদ্রিক ঐতিহ্যের জন্য বিখ্যাত।
পদ্মা নদীর তীরের এই শহরটি রেশম (Silk) এবং আমের জন্য বিশ্ববিখ্যাত। দেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে স্বীকৃত এই নগরটি একটি প্রাচীন শিক্ষা হাব।
দেশের তৃতীয় বৃহত্তম শিল্পনগরী। রূপসা নদীর তীরের এই শহরটি বিশ্বখ্যাত ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের প্রবেশপথ। এখানে মাছের ঘের এবং চুইঝাল মাংসের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে।
হযরত শাহজালাল (র.) ও শাহপরান (র.)-এর স্মৃতিধন্য এই শহরটি চা বাগান ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। সিলেটের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং প্রবাসী আয় একে সমৃদ্ধ করেছে।
দক্ষিণাঞ্চলের শস্য ভাণ্ডার ও নদীমাতৃক এই শহরটি 'বাংলার ভেনিস' নামেও পরিচিত। কীর্তনখোলা তীরের এই নগরটি ইলিশ মাছ এবং ধানের ব্যবসার জন্য বিখ্যাত।
শীতলক্ষ্যা নদীর তীরের এই শহরটি পাটের ব্যবসার কারণে 'প্রাচ্যের ডান্ডি' হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে এটি দেশের নিটওয়্যার ও টেক্সটাইল শিল্পের প্রধান কেন্দ্র।
দেশের সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন। এখানে রয়েছে টঙ্গী বিসিক শিল্প এলাকা এবং হাজার হাজার পোশাক কারখানা। গাজীপুর সাফারি পার্ক ও ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়।
ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরের এই নগরটি শিক্ষা ও সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত। ময়মনসিংহ গীতিকা, নকশিকাঁথা এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এই শহরটির আলাদা পরিচয় রয়েছে।
উত্তর জনপদের কৃষি সমৃদ্ধ এই নগরটি তামাক ও হাঁড়িভাঙ্গা আমের জন্য বিখ্যাত। তাজহাট জমিদার বাড়ি এবং ঐতিহাসিক স্থানগুলো একে পর্যটকদের প্রিয় করেছে।
শালবন বিহার ও ময়নামতির স্মৃতিবিজড়িত এই শহরটি তার রসমালাই এবং খদ্দর শিল্পের জন্য বিখ্যাত। এখানকার শান্ত পরিবেশ এবং জলাশয় অনেক দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।
উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার ও দইয়ের শহর। মহাস্থানগড়ের ঐতিহাসিক গুরুত্ব একে অনন্য করেছে।
দেশের প্রথম মুক্ত জেলা ও ফুলের রাজধানী হিসেবে খ্যাত। খেজুর গুড়ের জন্য এর সুখ্যাতি বিশ্বজোড়া।
বিশ্বের বৃহত্তম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্র সৈকত নিয়ে গঠিত এই শহরটি দেশের প্রধান পর্যটন রাজধানী।
সাংস্কৃতিক রাজধানী নামে পরিচিত এই শহরটি ছানামুখী মিষ্টি ও তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রের জন্য বিখ্যাত।
লিচু ও কান্তজিউ মন্দিরের টেরা-কোটা শিল্পের জন্য এই প্রাচীন শহরটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে খ্যাত এই শহরটি লালন শাহ ও কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিধন্য।