সীমান্তবর্তী অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি
শেরপুরকে একটি পূর্ণাঙ্গ 'ইকো-ট্যুরিজম জোন' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। গজনী ও মধুটিলাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলা জরুরি।
পাহাড়ী ঢল ও আকস্মিক বন্যা এ অঞ্চলের কৃষির প্রধান বাধা। টেকসই ড্রেজিং ও পানির ধারণক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে কৃষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সারা দেশে ও বিশ্ববাজারে শেরপুরের 'তুলসীমালা ধান'-এর জিআই স্বীকৃতি ও ডিজিটাল বিপণন নিশ্চিত করতে হবে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আদিবাসী হস্তশিল্পকে ব্রান্ডিং করা উচিত।