ঝিনাইগাতী পরিচিতি
ঝিনাইগাতী উপজেলা শেরপুর জেলার একটি অত্যন্ত নয়নাভিরাম পাহাড়ি অঞ্চল। ভারতের মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষা এই
উপজেলায় গজনী অবকাশ কেন্দ্র অবস্থিত, যা এ অঞ্চলের পর্যটনের প্রাণকেন্দ্র।
১. ভৌগোলিক অবস্থান: উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে ভারতের মেঘালয় রাজ্য, দক্ষিণে শ্রীবরদী ও
নালিতাবাড়ী, পূর্বে শ্রীবরদী এবং পশ্চিমে বকশীগঞ্জ উপজেলা অবস্থিত।
২. ইতিহাস ও ঐতিহ্য: ঝিনাইগাতী এক সময় গারো পাহাড়ের পাদদেশে সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল
যা সীমান্ত বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতো। মুক্তিযুদ্ধের সময় ঝিনাইগাতীর পাহাড়ী এলাকায় গেরিলা
যুদ্ধ হয়েছিল।
৩. অর্থনীতি: কৃষি প্রধানত ধান, সুগন্ধি চাল এবং ভুট্টার ব্যাপক চাষ হয়। এছাড়া পাহাড় থেকে
আসা পাথর ও বালু এখানকার অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে।
৪. দর্শনীয় স্থান: গজনী অবকাশ কেন্দ্র (Gozni Vacation Center), গারো পাহাড়ের দৃশ্য এবং
পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত আদিবাসী পল্লী দর্শনার্থীদের প্রধান আকর্ষণ।
৫. যোগাযোগ ব্যবস্থা: শেরপুর শহর থেকে সড়ক পথে সরাসরি ঝিনাইগাতীর বাসে করে অনায়াসেই
যাতায়াত করা যায়। পাহাড়ি পথ ও সবুজের সমারোহ ভ্রমণকে আনন্দদায়ক করে।
কৌশলবিদ
গজনী অবকাশকে কেন্দ্র করে একটি বৃহত্তর পর্যটন
ইকোনমিক জোন (Tourism Economic Zone) তৈরি করা যেতে পারে।
সমালোচনামূলক চিন্তাবিদ
পাহাড়ি বনজ সম্পদ উজার রোধে এবং পরিবেশের ভারসাম্য
রক্ষায় আদিবাসীদের সম্পৃক্ত করে বন ব্যবস্থাপনা করা জরুরি।
উদ্ভাবনী এক্সিকিউটর
ঝিনাইগাতীতে একটি 'হিল-সাইড আইটি রিসোর্ট' গড়ে তোলার
মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একটি নির্জন কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করা সম্ভব।