ভূঞাপুর পরিচিতি
ভূঞাপুর উপজেলা টাঙ্গাইল জেলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নদীমাতৃক ও পর্যটন এলাকা। এটি মূলত বঙ্গবন্ধু
বহুমুখী সেতুর পূর্ব প্রান্তের আংশিক ভূমির ওপর এবং যমুনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত।
১. ভৌগোলিক অবস্থান: ভূঞাপুর উপজেলার উত্তরে গোপালপুর ও সরিষাবাড়ী, দক্ষিণে কালিহাতী,
পূর্বে ঘাটাইল এবং পশ্চিমে যমুনা নদী ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা অবস্থিত।
২. ইতিহাস ও ঐতিহ্য: ভূঞাপুরের রয়েছে প্রাচীন ইতিহাস। যমুনা নদীর খরস্রোতা রূপ এ উপজেলার
মানুষের জীবনধারাকে প্রভাবিত করেছে। এখানকার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ ও লোক সংস্কৃতি আজও অত্যন্ত জনপ্রিয়।
বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণের পর থেকে এ উপজেলার পরিচিতি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।
৩. অর্থনীতি: ভূঞাপুরের অর্থনীতি মূলত কৃষি ও মৎস্য সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। যমুনা নদীর
প্রচুর মাছ এখানকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সচল রাখে। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক
কর্মকাণ্ডে এখানকার মানুষ কাজ করছে যা অর্থনৈতিকভাবে অঞ্চলটিকে সমৃদ্ধ করছে।
৪. দর্শনীয় স্থান: বঙ্গবন্ধু সেতুর দৃশ্যপট এবং যমুনা নদীর তীরবর্তী মনোরোম এলাকা।
৫. যোগাযোগ ব্যবস্থা: সড়ক পথে ভূঞাপুর জেলা শহর ও রাজধানী ঢাকার সাথে চমৎকারভাবে যুক্ত।
সেতুর পাশের সড়ক হওয়ার যাতায়াত অত্যন্ত সহজ।
কৌশলবিদ
ভূঞাপুরকে কেন্দ্র করে একটি 'রিভার-ট্যুরিজম ও
লজিস্টিক সেন্টার' গড়ে তোলা সম্ভব যা যমুনা নদীকে ঘিরে অর্থনীতির নতুন ক্ষেত্র তৈরি করবে।
সমালোচনামূলক চিন্তাবিদ
যমুনা নদীর ভাঙন এ উপজেলার জন্য একটি স্থায়ী সমস্যা,
যা মোকাবিলায় স্থায়ী বাঁধ ও উন্নত নদী শাসন প্রযুক্তি প্রয়োজন।
উদ্ভাবনী এক্সিকিউটর
ভূঞাপুরে একটি বিশেষ 'ফিশ প্রসেসিং ও প্যাকিং হাব'
স্থাপন করা যেতে পারে যা এখানকার মৎস্য সম্পদকে দেশের বাইরে পাঠাতে সাহায্য করবে।